দাঁত ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়-দাঁতের ব্যথা কমানোর ঔষধের নাম

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজকে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি হচ্ছে দাঁত ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। এর পাশাপাশি আরো আলোচনা করা হবে তা দাঁতের ব্যথা কমানোর ঔষুধের নাম সম্পর্কে। এই সমস্যাটা প্রায় মানুষের রয়েছে।
দাঁত ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়-দাঁতের ব্যথা কমানোর ঔষধের নাম
তাই এই বিষয়ে সকলের ধারণা থাকা প্রয়োজন। সুতরাং যাদের এই বিষয়ে ধারণা নেই তাদের জন্য এই আর্টিকেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। আশা করি এই আর্টিকেল থেকে উপরোক্ত বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন। তাই বিস্তারিতভাবে জানতে এই আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুরুত্বসহকারে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ দাঁত ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়-দাঁতের ব্যথা কমানোর ঔষধের নাম

ভূমিকা

দাঁত খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। সুন্দর দাঁত একজন মানুষের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারে। তাই এই দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দাঁতের যদি সঠিকভাবে যত্ন না নেওয়া হয় তাহলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হতে পারে। তখন তাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে দাঁতে ব্যথার সমস্যা। তাই যখন দাঁতে ব্যথা শুরু হয় তখন মানুষ দিশেহারা হয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খোঁজাখুঁজি করে। অনেকের অবহেলা কারণে দাঁত নষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে ব্যথা হতে পারে।

আবার অনেক সময় দাঁতের ক্ষয় হয়ে ভেঙ্গে যেতে পারে। এতে করেও দাঁতে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাঁত ব্যথার পিছনে অনেক কারণ রয়েছে যেগুলো এই আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। এর মধ্যে বিভিন্ন কারণ রয়েছে যেমন :দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ ইত্যাদি।আবার অনেক সময় দাঁতে আঘাত পেলে দাঁত নড়ে গিয়ে সেখানে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। অনেকে রয়েছে যারা নিয়মিত ব্রাশ করেন না। যদিও নিয়মিত ব্রাশ করেন তবুও সেটি সঠিক নিয়মে করেন না।

তবে মনে রাখতে হবে দাঁতের যত্ন সঠিক ভাবে না করলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। দাঁতে যদি ব্যথা হয় তাহলে সেই ব্যথা পাশের দাঁতে ছড়িয়ে যেতে পারে। আবার অনেকের দাঁতে ক্যাভিটি জমে থাকে। এতে করে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। তবে নিয়মিত ব্রাশ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ব্রাশ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর দাঁতে ব্যথা অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

দাঁতের মাড়িতে ব্যথা হলে করণীয়

প্রিয় পাঠক এ পর্যায়ে আমরা জানবো দাঁতের মাড়িতে ব্যথা হলে কি কি করণীয় রয়েছে সেই সম্পর্কে। দাঁতের মাড়িতে বিভিন্ন কারণে ব্যথা হতে পারে। অনেকের ব্রাশ করার সময় দাঁতের মাড়িতে ব্রাশ দিয়ে আঘাত পায়। পরবর্তীতে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। যদি মাড়িতে ব্যথা হয় তাহলে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক সময় এই দাঁতের মাড়ি ফুলে যেতে পারে। আবার সঠিকভাবে ব্রাশ না করার কারণে দাঁতের ফাঁকে অনেক খাদ্য কণা জমে থাকে। এই খাদ্য কণা জমে থাকার কারণে সমস্যা হতে পারে। তাই সঠিকভাবে দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। আর দাঁতের এরকম সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়াও দাঁতের মাড়িতে ব্যথা, রক্ত পড়া, শিরশির অনুভূত হওয়া ইত্যাদি সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। তবে এক্ষেত্রে কিছু করণীয় রয়েছে যেমন: সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা, নরম ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। আবার যদি দাঁতের মাড়িতে ব্যথা অনুভূত হয় তাহলে খাবার গ্রহণ করার সময় নরম খাবার খেলে ভালো হয় দাঁত সহ দাঁতের মাড়ি ভালো রাখার জন্য লবণ মিশানো গরম পানি দিয়ে কুলকুচি করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। ব্রাশ করার সময় জোরে জোরে ব্রাশ না করাই উচিত। এক্ষেত্রে ধীরে ধীরে ব্রাশ করতে হবে।

এছাড়াও ব্যথা হলে বরফের ব্যাগ ব্যথা স্থানে ধরে রাখলে ব্যথা অনেকটাই হ্রাস পেয়ে যাই। শক্ত ব্রাশ পরিহার করতে হবে। আর অবশ্যই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ব্রাশ করা উচিত। আর অনেকে ব্রাশ করার সময় সঠিক নিয়ম জানেনা। এক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে ব্রাশ করতে হবে।
বিঃদ্রঃ আর দাঁতের যেকোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

দাঁতের কালো দাগ দূর করার উপায়

দাঁতের কালো দাগের সমস্যা অনেকেরই রয়েছে। এই সমস্যা দেখা দিলে অনেক বিড়ম্বনাই পড়তে হয়। সুন্দর হাসির পিছনে রয়েছে সুন্দর সাদা দাঁত। তাই এই দাঁতকে ঝকঝকে রাখা প্রয়োজন। কিন্তু এ দাঁতের মর্ম বুঝতে হবে। অযত্ন অবহেলার কারণে দাঁতে অনেক সময় হলুদ দাগ পড়ে। এই হলুদ দাগ অনেক সময় লজ্জার কারণ হতে পারে। তাই এই দাঁতের কালো দাগ দূর করা প্রয়োজন। এই কালো দাগ দূর করার কিছু উপায় অনুসরণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে নিমের দাঁতন ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

এই নিমের দাতনের ব্যবহার বহুদিন ধরে চলে আসছে। এক্ষেত্রে করণীয় হচ্ছে নিমের দাতনের সঙ্গে পেয়ারা পাতার রস ব্যবহার করলে এই দাগ অনেকাংশে কমে যায়। অনেকের দাঁতে কালো দাগ থাকার কারণে মুখ খুলে হাসতে পারে না। তাই এক্ষেত্রে এ কালো দাগ দূর করতে কমলার খোসা অনেক কার্যকরী। দাঁতকে সাদা করে তুলতে কমলার খোসা বেশ সাহায্য করে থাকে।কিন্তু আমরা অনেকেই এই কমলার খোসা ফেলে দিই।
এছাড়াও যে পাতি লেবু পাওয়া যায় এর খোসাও দাঁতের হলদে ভাব দূর করতে সাহায্য করে। আবার খাবার সোডা এক্ষেত্রে অনেক কার্যকরী। খাবার সোডা দিয়ে দাঁত ঘুষলে দাঁত ঝকঝকে হয়। তবে দাঁতের কালো দাগ দূর করার জন্য অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এছাড়াও বিট লবণের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে সেটি ব্যবহার করলে দাঁত অনেক পরিষ্কার হয়।

আবার কলার খোসার যে সাদা দিকটি রয়েছে সেই দিকটি দিয়ে দাঁত ঘষলে দাঁতে যে হলুদ ভাব থাকে সেটি দূর হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই সেটা জানিনা। এগুলো ছাড়া আরো বিভিন্ন রকম উপায় রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করলে দাঁতের কালো দাগ সহজেই দূর হয়ে যায়। তবে দাঁতের যে কোন সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

দাঁতের পানের দাগ দূর করার উপায়

সারাদিন আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। আর যদি সঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার না করা হয় তাহলে দাগ হয়ে যায়। অনেকেরই পান খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। এই পান খেলে কিংবা ধূমপান করার ফলে দাঁত কালো হয়ে যেতে পারে। আর যদি এই দাঁত কালো হয়ে যায় তাহলে মুখের সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে পারে। দীর্ঘকাল ধরে দাঁতের যত্ন না নিলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সেজন্য আমাদের নিয়মিত ব্রাশ করা উচিত। খাবারের পরে ব্রাশ করতে হবে। তাছাড়া ধুমপান কিংবা পান খাওয়ার পর দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে দাঁতে সহজে দাগ পড়বেনা।
এছাড়াও পানির সাথে কিংবা লেবুর রসের সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটি ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়। এছাড়াও আরো একটি উপায় হচ্ছে কমলালেবুর খোসা দিয়ে দাঁত ঘষলে এতে করে দাঁতের দাগ দূর হয়। আবার এক্ষেত্রে সামুদ্রিক লবণ খুবই কার্যকরী। কিন্তু অনেকে পান খাওয়ার পর দাঁত পরিষ্কার করে না। যার ফলে সহজেই দাঁতে দাগ পড়তে পারে। তাই পান খাওয়ার পর পানি দিয়ে কুলি করা উচিত। আর এই বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানতে হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করুন। আর দাঁতে যে কোন জিনিস ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

দাঁতের কালো পাথর দূর করার উপায়

প্রিয় পাঠক এ পর্যায়ে আমরা জানবো দাঁতের কালো পাথর দূর করার কিছু উপায় সম্পর্কে। অনেক সময় দেখা যায় দাঁতের বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় মানুষ ভোগে থাকে না। আর এই সমস্যাগুলো একসময় প্রকট আকার ধারণ করে, যদি দাঁতের যত্ন সঠিকভাবে নেওয়া না হয়। দাঁতের বিভিন্ন ধরনের সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে দাঁতে পাথর হওয়া। যদি মুখের ভিতর যথাযথভাবে পরিষ্কার না করা হয় তাহলে এই সমস্যাটা দেখা দিতে পারে।

তবে এর সঠিক সমাধান হচ্ছে কোন ডেন্টাল সার্জনের কাছে গিয়ে দাঁতের এই সমস্যা সমাধান করা। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা বেশি দেখা যায়। এছাড়াও যদি তামাকজাত দ্রব্য চিবিয়ে নেশা করা হয় তাহলে এ সমস্যা হতে পারে। তাই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য ডেন্টাল সার্জনের কাছে পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়

অনেক সময় ভিটামিনের অভাবে দাঁতের মাড়ি ফুলে যেতে পারে। অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। দাঁতের মাড়ি ফুলে গেলে ব্যথা হতে পারে। কিন্তু আমাদের জানা নেই কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁতের মাড়ি ফুলে যেতে পারে সেই সম্পর্কে। কিন্তু এই বিষয়টি জানা খুবই জরুরী। ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত, ব্যথা ইত্যাদি হতে পারে।ভিটামিন সি দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে থাকে। 
পাশাপাশি মুখের নরম টিস্যুকে শক্ত করতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, ভিটামিন কে ইত্যাদির অভাবে দাঁতের মাড়ি ফুলে যেতে পারে। এই ভিটামিন গুলো দেহের জন্য খুবই উপকারী। আবার ভিটামিন ডি দাঁতকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে থাকে। অপরপক্ষে ক্যালসিয়াম দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। 

এই ক্যালসিয়ামের অভাবে দাঁতের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্ত পড়া ইত্যাদি। আবার ভিটামিন কে দাঁতের মাড়ি ভালো রাখার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী। তবে দাঁতের যে কোন সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞের বা ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

দাঁত ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা

যখন দাঁতে ব্যথা হয় তখন অনেক অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। কিন্তু এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য চিকিৎসকের বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করুন। এছাড়াও এই ব্যথা থেকে বাঁচার জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে। গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে সেটি দিয়ে কুলকুচি করলে অনেক স্বস্তি পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি লবণের সাথে যদি গোল মরিচ মেশানো হয় এবং পেস্ট তৈরি করা হয় পরবর্তীতে সেই পেস্ট যদি দাঁতে লাগানো হয় তাহলে সুফল পাওয়া যেতে পারে।
আবার দাঁত ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে ফিটকিরি খুবই কার্যকরী। কিন্তু আমরা অনেকেই সেটি জানিনা। অপরদিকে রসুন বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর উপকারিতা অনেক। দাঁতের ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে রসুন খুবই সহায়ক। এগুলো ছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের উপায় রয়েছে যেগুলো ব্যবহারে দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে দাঁতে ব্যথা হলে যে কোন জিনিস ব্যবহার কিংবা খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

লেখকের মন্তব্য

পরিশেষে, দাঁত শরীরের একটি মহামূল্যবান অংশ। এই দাঁত যদি না থাকে বা দাঁতে কালো দাগ থাকে তাহলে মুখের সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে পারে। তাই দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা করতে হবে। এই দাঁতকে অবহেলা করলে চলবে না প্রতিনিয়ত এর যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। আর এই আর্টিকেলে আমরা জানলাম দাঁত ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। 

এর পাশাপাশি আরো জানলাম দাঁতের কালো দাগ দূর করার উপায়, দাঁতের কালো পাথর দূর করার উপায় ইত্যাদি সম্পর্কে।আশা করি এই আর্টিকেল পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন। যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে এ আর্টিকেলটি বেশি বেশি শেয়ার করে দিন।

আর নতুন নতুন তথ্য পেতে এই ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। আর্টিকেলটি ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url