আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন


আজকে আমরা আলোচ্য বিষয়ে আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে জানব। পৃথিবীতে অনেক দেশই রয়েছে যারা আলুকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। তবে বাংলাদেশে এখনো আলুকে পরিপূরক খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকে। আলু এমন একটি খাদ্য যেটি ছাড়া অন্য তরকারি রান্না প্রায় অসম্ভব।
অর্থাৎ যে কোন তরকারি রান্না করতে গেলে আলুর ব্যবহার হয়ে থাকে। আলু হচ্ছে একটি পুষ্টিকর খাবার। আলুতে যে পরিমাণ পুষ্টি থাকে, ভাতে তার চেয়ে কম থাকে। এই আর্টিকেলে আলুর সব পুষ্টিগুণ, আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিব।

পেজ সূচিপত্রঃ আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা

ভূমিকা

আলু এমন একটি সবজি যেটি সবার কাছে পছন্দনীয়। এই আলুকে কখনো ভর্তা হিসেবে আবার কখনো বিভিন্ন সবজির সাথে রান্না করা হয়। আলু অনেক মানুষই খেয়ে থাকে। রুটি বা ভাতের পরই আলুর স্থান। এই আলু দ্রুত হজম হয়। সব বয়সের মানুষ আলু খেয়ে থাকে। শরীরের হাড়কে সুস্থ রাখতে আলু বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আলু খাওয়ার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। আলু স্বাভাবিক সবজি মনে হলেও এটি একটি অস্বাভাবিক সবজি যাতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।

আলুর উপকারিতা

আলু শুধু আমরা সবজি হিসেবেই খেয়ে থাকি। কিন্তু আমাদের কি জানা আছে এতে কি পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে। আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা দুটোই রয়েছে। আসুন আমরা আলুর উপকারিতা গুলো জেনে নিই-
  • আলু খাওয়ার ফলে আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে ।
  • আলু হজমে সাহায্য করে যার ফলে আমাদের পেটের অনেক সমস্যা দূর করতে আলু সাহায্য করে।
  • আলুতে যে পুষ্টিগুণ রয়েছে সেটি বাত ব্যথা উপশমে অধিক কার্যকরী।
  • আলুতে অনেক বেশি পরিমাণ ফাইবার আছে। যার ফলে আমাদের হৃদযন্ত্রা স্বাভাবিক থাকে।
  • আলু খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। এতে ভিটামিন A এবং অ্যান্টিঅক্সিডান্ট বিদ্যমান।
  • আলুতে অধিক পরিমাণে কার্বোহাইডেট থাকাই ওজন বৃদ্ধি করতে আলু বেশ সহায়ক।
  • আলুতে যে ক্যালসিয়াম, আয়রন ইত্যাদি রয়েছে তা হাড়ের জন্য বেশ উপকার।
  • আলুর মধ্যে কিছু আলু যেমন লাল আলু এবং বাদামী আলুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ বিদ্যমান থাকায় এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
  • আলু চুল পড়া এবং চুল পাকা রোধে সাহায্য করে। একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে আলু দিন এবং সেই আলু সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করা আলুর পানি দিয়ে আপনার চুল ধৌত করুন। তাহলে আপনার চুল অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে।
আলুর উপকারিতা

আলুর অপকারিতা

আলুতে যেমন উপকার রয়েছে তেমনি অপকারও রয়েছে। তাই আলো খাওয়ার ফলে যে অসুবিধাগুলো হতে পারে সে গুলো সম্পর্কে জেনে নিন-
  • আলু অধিক পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
  • এক ধরনের সবুজ আলু পাওয়া যায়। এই সবুজ আলুতে এক ধরনের বিষাক্ত সোলেনিন এর সাথে আর্সেনিকও থাকে। তাই অধিক পরিমাণ গ্রহণ ক্ষতিকর।
  • গর্ভাবস্থায় কাঁচা আলু খাওয়া মারাত্মক তবে আলু ভেজে খেতে পারেন। তাই গর্ভাবস্থায় কাঁচা আলু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
  • অতিরিক্ত আলু গ্রহনের ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। তাই তাই আলু পরিমান অনুযায়ী খাওয়া উচিত।
  • অধিক আলু গ্রহণের ফলে রক্তে শর্করা ও ইনসুলিন বেড়ে যায় যার ফলে ডায়াবেটিস হতে পারে। তাই যাদের ডায়াবেটিকস রয়েছে তারা অধিক পরিমাণ আলু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
তাই উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে আমাদের আলু খাওয়া উচিত।

সিদ্ধ আলু খাওয়ার উপকারিতা

সিদ্ধ আলুতে অনেক উপকার হয়েছে। এই উপকার গুলো কি সেই সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-
  • ব্রেন বৃদ্ধি পাওয়াঃ সিদ্ধ আলু খেলে ব্রেন বেড়ে যায়। সিদ্ধ আলুতে অনেক কার্যকরী উপাদান থাকে। এই উপাদান গুলো শরীরে প্রবেশ করে এবং সেই কার্যকরী উপাদান গুলো আমাদের ব্রেন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।
  • ফাইবারের ঘাটতি পূরণ করেঃ আলুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। তবে ডায়াটারি ফাইবার আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
  • ভিটামিন সিঃ শরীরকে ঠিক রাখার জন্য ভিটামিন সি এর বিশেষ প্রয়োজন। আমাদের শরীরে যদি ভিটামিন সি এর অভাব থাকে তাহলে এই আলু খাওয়ার মাধ্যমে তা পূরণ করা সম্ভব।
  • প্রদাহের মাত্রা কমেঃ আলুতে ভিটামিন সি থাকার কারণে শরীরের প্রদাহের মাত্রা কমে যায়। এমনকি আর্থ্রাইটিস রোগ দ্রুত কমে যায়।
  • বাত ব্যথাঃ সিদ্ধ আলু যদি নিয়ম অনুযায়ী খাওয়া যায় তাহলে বাতের ব্যথা অনেকাংশে কমে যায়।
  • ভিটামিন সমৃদ্ধঃ সিদ্ধ আলুতে প্রচুর পরিমাণ ক্যাফেইক এসিড এবং ক্যারোটিন রয়েছে। এসব উপাদান আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

সিদ্ধ আলু খাবার অপকারিতা

  • আলু খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করা এবং ইনসুলিন বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিকস হওয়ার বৃদ্ধি পায়। ফলে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা আলু খাওয়ার প্রতি সতর্ক থাকবেন।
  • কুচকানো আলু বা সবুজ আলুতে বিষাক্ত সোলানিন থাকে। এই বিষাক্ত সোলানিন মাথাব্যথা, ডায়রিয়ার মত অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে।
  • ১২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় যখন আলুকে রান্না করা হয় তখন আলুতে অ্য‌ক্রিলামাইড সৃষ্টি হয়। যা একটি ক্ষতিকর পদার্থ। এই পদার্থটি সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকে যার ফলে ক্যান্সার হতে পারে।
আলু খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তারা অধিক পরিমাণ আলু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
সিদ্ধ আলু


মিষ্টি আলু খেলে কি ওজন বাড়ে

মিষ্টি আলু খেলে ওজন বাড়ে না কমে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের অনেক মতামত রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, মিষ্টি আলু খেলে ওজন কমে। ভিটামিন এ থাকাই শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। এই আলুতে ফাইবার থাকে যা আপনার অতিরিক্ত খাওয়ার বাসনাকে কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। ফলে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এনার্জি বৃদ্ধি করে।
ওজন বেড়ে যাবে এই ভেবে যারা আলু খাওয়া থেকে বিরত রয়েছেন। তারা মিষ্টি আলু খেতে পারেন। কারণ মিষ্টি আলু ওজন কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। সুস্থ থাকার জন্য বা ওজন কমানোর জন্য মিষ্টি আলু প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

কোন কোন সবজি খেলে ওজন বাড়ে

কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে ওজন বাড়ে। আর যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে কিছু সবজি আছে যা আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন
  • মিষ্টি আলুঃ মিষ্টি আলুতে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ইত্যাদি রয়েছে। এগুলো আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
  • আলুঃ আলুতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার ইত্যাদি রয়েছে। আলু ভিটামিন সি এর উৎস। আলু ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
  • গাজরঃ আলুর মতো গাজরেও রয়েছে ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন সি ইত্যাদি। ওজন বৃদ্ধি করতে গাজর অত্যন্ত কার্যকরী।
  • মটরঃ মটর হচ্ছে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য। মটরে আয়রন সহ ভিটামিন-A ভিটামিন-C রয়েছে এবং খনিজও বিদ্যমান।
  • পালং শাকঃ পালং শাক ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কারণ এতে অনেক ভিটামিন সহ খনিজ পদার্থ বিদ্যমান।
  • ফলঃ বিভিন্ন রকম ফল যেমন আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু ইত্যাদি আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও কাঁচা কলা খেলে ওজন বাড়ে।
  • ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্যঃ ওজন বাড়াতে ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন। যেমন ঘি, ডিম, দই, মাংস, আঙ্গুর ইত্যাদি। এগুলো উচ্চ ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্য। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
যারা ওজন বাড়াতে চান তারা উপরোক্ত সবজিগুলো নিয়মিত খেতে পারেন। কারণ উপরোক্ত সবজিগুলো আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রতিদিন আলু খেলে কি হয়

আলু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য। আলু প্রতিদিন খাওয়ার ফলে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। অনেকের ধারণা আলু খেলে কোলেস্টেরল পরিমাণ বেড়ে যাবে। কিন্তু এটা ভুল। আলুতে যে ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম রয়েছে তা দেহের কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আলু খাওয়ার ফলে শরীরের রক্তচাপ কমে যায়।
আলু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য ভাল করার ক্ষেত্রে আলু বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আলুতে যে সোলানাইন থাকে তা দেহের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। অধিক পরিমাণ আলু খাওয়ার ফলে এটি দেহের সমস্যা সৃষ্টি করে। অনেকের মাথাব্যথা শুরু হয়ে যায়। সোলানাইন স্নায়ুরও ক্ষতিসাধন করে।

আলু খেলে কি গ্যাস হয়

গ্যাস থাকাটা একটি স্বাভাবিক বিষয়। অধিকাংশ মানুষই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। এই গ্যাস নিয়ে অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। আলুর যেরকম উপকারিতা রয়েছে সেরকম অপকারিতাও রয়েছে। এই অপকারিতার মধ্যে একটি হচ্ছে গ্যাস হওয়া। আলু খেলে প্রায় লোকের গ্যাসের সমস্যার সৃষ্টি হয়। আলু খেলে গ্যাস হওয়ার আশঙ্কা কম। তবে মিষ্টি আলু খেলে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে তারা অধিক পরিমাণ আলু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

গর্ভাবস্থায় মিষ্টি আলু খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় মিষ্টি আলু খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেক। মিষ্টি খেলে শরীরে শক্তি যোগায়। প্রোটিনের অভাব পূরণ করে। আলুতে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পুষ্টি রয়েছে যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজন।
মিষ্টি আলু


গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার প্রতিদিন আটশত(৮০০)গ্রাম ভিটামিন- A দরকার। এই ভিটামিনের উৎস হচ্ছে মিষ্টি আলু। ভ্রম বিকাশের ক্ষেত্রে ভিটামিন-A অত্যন্ত কার্যকরী। এছাড়া কিডনি, রক্ত ইত্যাদি বিকাশেও সাহায্য করে থাকে। ফাইবারের অন্যতম উৎস হচ্ছে মিষ্টি আলু। একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য তা অত্যন্ত প্রয়োজন। গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা প্রায় দেখা যায়। মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে এই সমস্যা দূর হয়।

বমি বমি ভাব শুধু গর্ভাবস্থার লক্ষণ নয় এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রায় মানুষেরই এটি হয়ে থাকে। এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে কম চর্বিযুক্ত খাবার গুলো খেতে হবে। যেমন আলু কম চর্বিযুক্ত খাবার এবং সহজে হজম হয়ে যায়।

রূপচর্চায় আলুর উপকারিতা

আলু আমরা সবজি হিসেবে ব্যবহার করে থাকি কিন্তু আমাদের জানা আছে কি এটি রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়। তাই আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে আলু ব্যবহার করলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
  • চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার জন্য আলু কেটে সেখানে লাগাতে পারেন। তাহলে কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।
  • চোখ ফুলে গেলে, ফোলা দূর করার জন্য আলু গোল করে কেটে চোখে লাগাতে পারেন।
  • আলু থেকে রস বের করে নিয়ে তার সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। সেই মিশ্রিত রস কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
  • মুখের ব্রণ দূর করার জন্য আলুর রস ব্যবহার করা হয়।
  • শসার সাথে আলু মিশিয়ে দ্রবণ তৈরি করুন। দ্রবণে পানি এবং বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। দ্রবণটি ত্বকের পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
  • আলুর রসের সাথে গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায়।
  • আলুর রসের সাথে ১ চামচ দই দিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে ফেলুন। মিশ্রণটি ত্বকে ব্যবহার করলে অন্যান্য দাগগুলো দূর হয়ে যায়।
  • রোদে যাদের ত্বক পুড়ে গেছে তারা আলু ব্যবহার করতে পারেন।
  • তবে চুলকানি হলে অনেকের খুব যন্ত্রণা হয় বা জ্বালাপোড়া করে। ক্ষতস্থানে আলু কেটে দিলে জ্বালা পোড়া দূর হয়ে যায়।
আলু রূপচর্চায় ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। উপরোক্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে অনুসরণ করলে আপনার ত্বক অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে এবং আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায়, আলুকে ভাতের সাথে তুলনা করা যায়। কারণ ভাতে যে পরিমাণ পুষ্টি রয়েছে আলুতেও সে পরিমাণ পুষ্টি বিদ্যমান। আলুর খোসায় প্রচুর প্রোটিন এবং খনিজ থাকায় আলু খোসাসহ খাওয়া উচিত। তাই এই আর্টিকেলে আমরা জানলাম আলুর উপকারিতা এবং অপকারিতা পুষ্টিগুণ ইত্যাদি সম্পর্কে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url